বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে গাড়ি আটকে দেওয়ায় ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি এনসিপি নেতাদের ধর্ষণের পর গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ,জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা নির্দিষ্ট মামলা না থাকলে শ্যোন অ্যারেস্ট নয়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত জামায়াত নেতৃত্বাধীন ঐক্যে ফাঁটল, জোট ছাড়ছে এনসিপি Family Card দেওয়ার প্রলোভনে কিশোরীকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টা, ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী মোহনগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আউটডোর বন্ধ -৭ ডাক্তারকে শোকজ জুলাই পদযাত্রায় হা’ম’লা ও গাড়ি ভা’ঙ’চুর, সারজিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আ’হ’ত নীরব আশুগঞ্জ সার কারখানা : ১৬ মাসের লোকসান ১৩৬ কোটি টাকা গত ছয় মাসে দেশে ৮৬ শিশু হত্যা,যৌন নির্যাতনের শিকার ৩৩৬ জন

ধর্ষণের পর গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ,জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

ডেইলি নেত্র নিউজ ডেক্স :
  • আপডেট : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৮ পঠিত

বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও গর্ভের সন্তান নষ্ট করার অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত ২২ জুলাই পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বাদী হয়ে মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক নীলুফার শিরিন মামলাটি আমলে নিয়ে সদর থানাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

আজ বুধবার সকালে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। তিনি সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি এবং পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের দপ্তর সম্পাদক। ঘটনার পর থেকে শহিদুল ইসলাম পলাতক।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রায় সাত বছর আগে ভুক্তভোগী নারী স্বামী মারা যান। পরে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন এবং সেখানে বসবাস করতে থাকেন। সেই সূত্রে পরিচয় হয় শহিদুল ইসলামের সঙ্গে। এরপর থেকে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা ওই নারীকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দেন। এতে নারী রাজি না হলে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং গত ২৪ মার্চ সকালে শহরের শেরে বাংলা রোডস্থ তার বোনের বাসায় নিয়ে যান।

সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে বাদীকে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে প্রায়ই ধর্ষণ করা হতো। এতে ওই বিধবা নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় শহিদুল গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে ভুক্তভোগী নারীকে চাপ দেন। কিন্তু ভুক্তভোগী রাজি না হওয়ায় গত ১৮ মে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওষুধ খাওয়ায়ে অজ্ঞান করে ফেলেন। জ্ঞান ফিরে তিনি জানতে পারেন তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।

মামলার সত্যতা স্বীকার করে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির বলেন: বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে মামলায় বলা হয়েছে। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে সদর থানাকে এজাহার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। থানায় আদালতের আদেশ এখন পৌঁছায়নি বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’ অভিযুক্ত মো. শহিদুল ইসলাম পলাতক থাকায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মুহা.নাজমুল আহসান বলেন:অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এবং আদালতে দোষী প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিুজ্জহামান জানান: এ ধরণের মামলার আদালতের আদেশের কোনো কপি আমাদের কাছে পৌঁছায়নি। আদেশের কপি পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
শিরোনাম...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023-2025 Daily Netrakona News