সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয় ২০০০ কোটি টাকা মোহনগঞ্জে কর্মস্থলেই অসুস্থ- রক্তবমির পর প্রাণ গেল স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কুড়িগ্রামে বন্যাদুর্গতদের জন্য বরাদ্দকৃত ৩০ মেট্রিক টন চাল,একমুঠোও জোটেনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ভাগ্যে জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে: মাহমুদা মিতু দুবাইয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ পূর্বধলায় রাস্তা পার হওয়ার সময় অটোরিকশার ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু নেত্রকোনায় ভেজাল সার- কীটনাশক তৈরি,ব্যবসায়ীকে জরিমানা পূর্বধলা উপজেলা আওয়ামী লীগের ১০৩ বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ আ. লীগের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা  নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতাসহ অজ্ঞাত আরও ৪০ থেকে ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কুড়িগ্রামে বন্যাদুর্গতদের জন্য বরাদ্দকৃত ৩০ মেট্রিক টন চাল,একমুঠোও জোটেনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ভাগ্যে

ডেইলি নেত্র নিউজ ডেক্স :
  • আপডেট : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৮ পঠিত

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে বন্যাদুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ থাকলেও তা পাননি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। বানভাসিদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ৩০ মেট্রিক টন জিআর চাল এক মাসের বেশি সময় ধরে গুদামেই পড়ে রয়েছে।এদিকে সেসব চাল বন্যামুক্ত দুই ইউনিয়নকে বরাদ্দ দিয়ে উত্তোলন করে গুদামজাত করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বন্যা কবলিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের অভিযোগ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচএম খোদাদাদ হোসেনের অবহেলায় ও খামখেয়ালীপনায় এবার বন্যার্তরা ত্রাণের চাল পায়নি। উত্তোলনকৃত চাল কোথায় এবং কিভাবে আছে তারা জানেন না।
উপজেলা ত্রাণ শাখার হিসাব অনুযায়ী, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হন দুই হাজার ৬৪০ জন মানুষ।

একই সময়ে নদী ভাঙনের শিকার হন আরও শতাধিক মানুষ। বন্যা ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় তিন হাজার মানুষের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০ মেট্রিক টন জিআর চাল এবং ১০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২৯ জুন বরাদ্দ দেওয়ার পর ৩০ জুন এসব চাল ও শুকনো খাবার উত্তোলন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, তিন কর্মদিবসের মধ্যে চাল বিতরণ শেষ করার কথা।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, বন্যার্তদের মধ্যে ৩০ মেট্রিক টন চালের কোনো অংশই বিতরণ করা হয়নি। শুধু ৩০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
তবে বন্যা কবলিত রায়গঞ্জ ইউপির চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান দীপ বলেন,বন্যায় আমার ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ডের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এর মধ্যে ফান্দের চর অন্যতম। ওই সময় বার বার যোগাযোগ করেও বন্যার্তদের জন্য কিছু পাইনি। শুনেছি চাল বরাদ্দ হয়েছে। তবে আমরা এখনো পাইনি।

জানা যায়: বন্যার্তদের জন্য বরাদ্দ করা চাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচএম খোদাদাদ হোসেনের নির্দেশে বন্যা কবলিত নয় এমন দুটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসকের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন দুটি হলো সন্তোষপুর ও রামখানা।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অবহেলায় জুন মাসের টিসিবি গ্রাহকদের বরাদ্দ চালও ফেরত গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৪১ হাজার ১০২ জন টিসিবি গ্রাহকের জন্য বরাদ্দ দুই লাখ পাঁচ হাজার ৫১০ কেজি চাল সময়মতো উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে। একইসঙ্গে নির্ধারিত সময়ে ছাড়পত্রে স্বাক্ষর না করায় চাল উত্তোলন করা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে না‌গেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ. এম. খোদাদাদ হোসেন বলেন, বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের আগেই বন্যা শেষ হয়ে যায়। চাল ফেরত দেয়ার কথাছিল তবে তুলে গুদামেই রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে বন্যা হলে বিতরণ করা হবে। আর বিশেষ কারণে আমার অনুপস্থিতিতে টিসিবি চাল উত্তোলনের সময় পার হয়ে যায়। গ্রাহকদের অন্যান্য পণ্য দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
শিরোনাম...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023-2025 Daily Netrakona News