
গত ৪ জানুয়ারি ২০২৬ ডেইলি নেত্র নিউজের এক প্রতিবেদনে “নেত্রকোনায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল করে খুটি স্হাপনের অভিযোগে” এইরকম শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন নেত্রকোনা সদর উপজেলা ৪নং সিংহের বাংলা ইউনিয়নের রায়দুম রুহী গ্রামের মৃত. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. আল- আমিন।
এই বিষয়ে মো. আল- আমিন ডেইলি নেত্র নিউজকে বলেন: আমাদের পারিবারিক সম্পত্তি জোর জবরদস্তি করে বে দখল ধরে রাখতে সাইফুল ইসলাম আমার নামে উক্ত মিথ্যা অভিযোগ আনয়ন করে। সে এই মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে নেত্রকোনা মডেল থানায় আমাকে সহ আরো তিনজনকে দায়ি করে একটি সাধারন ডাইরীও করে যাহা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, কেননা ঐ অভিযোগের সাক্ষী হিসেবে ০১ নম্বর সাক্ষীদাতা তার আপন ভাই ।
০২ নম্বর সাক্ষীদাতা মো: কমল মিয়া কে জিজ্ঞেসা করা হলে সে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে যে এই ধরনের কোন ঘটনায়ই ঐ দিন ঘটে নাই এবং সাইফুল যে মারধরের অভিযোগ করেছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ।
এখানে আরো উল্লেখ্য যে সাইফুল ও তার ভাই ও বোনেরা ভয়ংকর সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজ, ভূমি দস্যু ও জবর দখলকারী অতীতে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধুমকি দিয়ে দা, রামদা, কুদাল, রড নিয়ে আমাদের পরিবারের উপর তার ভাই ও বোনেরা বিভিন্ন সময় আক্রমণ করেছে।
আলামিন আরো বলেন : রায়দুম রুহী মৌজার মধ্যে বি আর এস দাগ ৭১৬ ও ৭১৭ দাগে মোট জমি ছিল ৭৮ শতাংশ । এই জমির ৩০ শতাংশ আমার দাদা সিরাজুল হকের। এই ৩০ শতাংশ জমি জোরপূর্বক ভাবে ও ভয় ভীতি দেখিয়ে অনেকদিন ধরে সাইফুল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন জোরপূর্বক দখল করে রেখেছিল । পরবর্তীতে অনেক শালিস করে এই জমি আমাদের হেফাজতে নিয়েছি ও চাষাবাদ করার উদ্যোগ নেই কিন্তু সাইফুল ও তার ভাইয়েরা তা মেনে নেয়নি এবং বাটোয়ারা মামলা দায়ের করে। এই অবস্থায় আমাদের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি), নেত্রকোনা সদর কর্তৃক এই বিষয়ে এক প্রতিবেদন দাখিল করে ।
উক্ত প্রতিবেদনে দেখা যায় নালিশী ভূমি বিআরএস ৭১৬ ও ৭১৭ নং দাগের ভূমি পূর্বে ২য় পক্ষের মানে সাইফুল এর দখলে ছিল। পরবর্তীতে গত ০১.০৮.২০২৫ তারিখে আবেদনকারী ১ম পক্ষ মোঃ আল আমিন গং নালিশী দাগের ০.৩০ একর ভূমিতে খুঁটি পুতে দখল গ্রহণ করেন। তাছাড়া নালিশি ভূমি সহ অপররাপর ভূমি নিয়ে ৪০/২০২৫ নং বাটোয়ারা মামলা চলমান রয়েছে ।
এই বাটোয়ারা মামলা চলমান অবস্থায় সাইফুল ইসলাম জোরপূর্বকভাবে সব জমি চাষাবাদ করতে যাওয়ার প্রেক্ষিতে আমরাও আমাদের অংশে বাটোয়াবা মামলাকে সম্মান জানিয়ে সীমানা চিহ্নিত করার জন্য খুঁটি স্থাপন করি। সেদিন উক্ত এলাকায় অনেকেই উপস্থিত ছিল সেখানে কোনো প্রকার ঝামেলা বা সংঘাত হয়নি বা কেউ বাধাও দেয়নি এমনকি সেদিন সাইফুল বা তার পরিবার বা তার পক্ষের কেউ কোনো প্রতিবাদ করেনি।
এই অবস্থায় আপনার স্বনামধন্য পত্রিকায় প্রকাশিত বিষয়টির প্রতিবাদ হিসাবে আমাদের বক্তব্য প্রকাশ করছি।
Leave a Reply