শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নেত্রকোনায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলে নেওয়ার অভিযোগ নেত্রকোনায় জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসকের বাণী নেত্রকোনায় বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে Human Aid International-এর আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত নেত্রকোনায় বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় রনি খানের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নেত্রকোনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাংবাদকিদের সাথে মতবিনিময় সভা নেত্রকোনায় আল- মদিনা ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে নবাগত জেলা প্রশাসকে ক্রেস ও ফুলের শুভেচ্ছা নেত্রকোনায় নবাগত জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমানের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নেত্রকোনায় মশাল মিছিল থেকে আটক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী

নেত্রকোনায় ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের আতঙ্কে গ্রাহকরা

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৪২ পঠিত

একদিকে ঘনঘন লোডশেডিং অপরদিকে দ্বিগুণ তিনগুণ বিলে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহক। অনেক এলাকাতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকে না।দিনের পর দিন চলছে বিদ্যুৎ অফিসের এই অরাজকতা।

এতে জনগণের লক্ষ লক্ষ টাকা গচ্ছা যাচ্ছে কিন্তু দেখার যেন কেউ নেই। প্রতিদিন অসংখ্য গ্রাহক বিল বাড়ানোর অভিযোগ নিয়ে অফিসে যাচ্ছেন। অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মচারীরা নিজেদের মতো করে গ্রাহককে বোঝাচ্ছেন।এতে বুঝলে ভালো না বুঝলে তাদের কিছু করার নেই বলে বিদায় করে দিচ্ছেন।এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিন গ্রাহকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়াচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আলী ওসমান নামে এক গ্রহক বলেন: ২ বছর হয়েছে পল্লী বিদুৎ সংযোগ পেয়েছি। পরিবারের দুজন সদস্য একটি ১৫ ওয়াটের এলইডি লাইট ও একটি ছোট খাচা ফ্যান ব্যবহার করি। ঠিকমতো বিদ্যুৎ থাকে। পূর্বে বিল আসতো ১০০ টাকার মতো। গত মাসে বিল এসেছে ১ হাজার ৯২০ টাকা। বিল না দিলে সংযোগ কেটে মোকদ্দমায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। অফিসে বেশ কয়েকবার গিয়েও এর সমাধান হয়নি।

নাম প্রককাশে অনিচ্ছুক এক গ্রাহক বলেন: ৬ মাস যাবৎ মেইন সুইচ বন্ধ,এর পরও বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে দেড়শ টাকার অধিক।অপর এক গ্রাহক বলেন: পূর্বে ৫ হাজার টাকা বিল আসতো। রানিং মাসে ৬৪৮৮৪ টাকা বিল এসেছে। অফিসে গিয়ে বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা গেছে,প্রতিদিন ৮/১০ জন গ্রাহক এসব ভূতুরে বিল নিয়ে অফিস মুখি হয়ে নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।

ভূতুরে বিল পরিশোধ করতে কেউ জমি বন্ধক দিচ্ছেন আবার কেউবা বিক্রয় করছেন। এক সরকারি কর্মচারী বলেন: বিদ্যুৎ বিল বেশি আসায় বিল পরিশোধ করার পর ছেলে-মেয়ের স্কুলের বেতন এবং হাট-বাজার খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023-2025 Daily Netrakona News