বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাইকোর্টে থেকে জামিন নেওয়ার পরেও গ্রেফতার জেলা কৃষক লীগের সদস্য সচিব আবু তাহের জামায়াত এমপি গাজী নজরুলের ভাইরাল ভিডিওটি এআই নয় : রিউমর স্ক্যানার নেত্রকোনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের ৭ম ‎মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ঘোষণা মোহনগঞ্জে ২ শিক্ষার্থী অপহরণচেষ্টা ট্রেন থেকে উদ্ধার ১ জন অপরজন অটোরিকশা থেকে লাফিয়ে বাঁচে  নেত্রকোনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে অভিযানে ১২ শ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ পূর্বধলায় নদীতে ইট বাঁধা নবজাতকের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ধর্ষক গ্রেপ্তার বারহাট্টায় মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে জমি দখলের অভিযোগ ‎ কৃষককে অপহরণ করে ১২ লাখ মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে এনসিপির ৫ নেতা গ্রেপ্তার নেত্রকোনায় নানা আয়োজনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

নিকাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রার (কাজী) লাইলেন্সের নিয়ম লঙ্ঘন

আইরিন আলিফ নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৩
  • ২৮৮ পঠিত

কাজী মাওলানা মো. এনামূল হক আকন্দ তিনি নেত্রকোনা মদন উপজেলার হাসান আলী দাখিল মাদরাসার শিক্ষক (সহ-সুপার) এবং জেলার পাশর্বতী উপজেলা আটপাড়ার দুওজ ইউনিয়নের মুসলিম নিকাহ ও তালাক রেজিষ্টার (কাজী) ও একই উপজেলার তেলিগাতী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত কাজীর দায়িত্ব পালন করছেন।

মাদরাসার একজন শিক্ষক হিসেবে বেতন ভাতাদির সরকারি অংশ তিনি উত্তোলন করেন। সেসাথে বিয়ে ও তালাক কার্য সম্পাদন করে সেখান থেকে পান নিজের কমিশন।

নিকাহ রেজিষ্ট্রারের লাইসেন্সে প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কর্ম এলাকায় অবস্থানের নিয়ম থাকা সত্বেও তার কর্মক্ষেত্র দুটি ভিন্ন ভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত। এতে করে দুই ইউনিয়নের সেবা প্রত্যাশীরা নিকাহ ও তালাক নিবন্ধনে যথাসময়ে কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অধিকাংশ বিয়ে দিনের দুপুর বেলায় সম্পন্ন হয়। এসময় মাদরাসা ফাঁকি দিয়ে বিয়ে পড়ান কাজী। সরকারি বেতন ভোগ করেও তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে রাষ্ট্রের সাথে এক ধরণের প্রতারনার সামিল বলে জানান এলাকাবাসী।

সরেজমিনে তেলিগাতী বাজারে তার চেম্বারে গেলে কাজী মো. এনামূল হকেকে পওয়া যায়নি। ফোনে বিয়ে পড়ানোর প্রলোভন দেখালে তিনি দুপুরের মধ্যে মাদরাসা থেকে তার চেম্বারে ছুঁটে আসেন। গত এক মাসের বিবাহ নিবন্ধনের তালিকা চাইলে তা দিতে অসম্মতি পোষন করেন।

এবিষয়ে তেলিগাতি ইউপির টেঙ্গা গ্রামের মো. ইব্রাহিম ফকির জানান, কাজী সাহেব মদনের হাসান আলী দাখিল মাদরাসায় চাকুরিরত অবস্থায় আছেন। এক উপজেলা হতে অন্য উপজেলায় চাকুরি করায় বিবাহ নিবন্ধন করাতে এলাকার জনগণ অসুবিধার মধ্যে আছে। সপ্তাহে পাঁচদিন মাদরাসায় থাকেন বিধায় অন্য লোকের নিকট বালাম (বিবাহ রেজিষ্টার বই) দিয়ে রেজিষ্ট্রি করান।

এতে এলাকায় সেবা প্রত্যাশী ও এলাকার জনসাধারণের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
কাজী মাওলানা মো. এনামূল হক আকন্দ জানান, মাদরাসার সুপারকে ম্যানেজ করে এলাকায় এসে বিবাহ নিবন্ধন করি। দুওজ ইউনিয়নের কাজীর দায়িত্ব ছাড়াও তেলিগাতী ইউপির অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। মাদরাসায় উপস্থিতির ক্ষেত্রে ফাঁকি দেই না। মাদরাসা সুপাররকে ম্যানেজ করে বিবাহ নিবন্ধন কার্য সম্পাদন করি। অন্য কাউকে দিয়ে বিবাহ নিবন্ধন করানো হয় না।

হাসান আলী দাখিল মাদরাসার সুপার মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আমার এখানে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ডিউটি করে। ডিউটিকালীন সময়ে সাব-কাজী বানিয়ে রেখেছে ওরাই বিয়ে নিবন্ধন করে। এক থানা থেকে আরেক থানায় একসাথে দুই কাজ করতে পারে না।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা রেজিষ্ট্রার আব্দুল খালেক বলেন, কাজী সাহেবের নাম এবং কোন উপজেলা ও ইউনিয়নের তা আমাকে মেসেজ করে পাঠান। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
শিরোনাম...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023-2025 Daily Netrakona News