সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মদনে পাচারের সময় ১০০ বস্তা সরকারি চাল জব্দ, আটক ২ দিল্লিতে শেখ হাসিনার ভাষণ: ঢাকায় কেন উদ্বেগ? ৫ আগস্টের ‘রাজনৈতিক ভূমিকম্প’ও নেপথ্যের সমীকরণ! পরকীয়ার অভিযোগ গ্রামবাসীর হাতে আটক Content Creator রিপন মিয়া শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ নিয়ে যা বলছে ভারত রাজধানীর তিন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল- ছাত্রশিবির দফায় দফায় সংঘর্ষ সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয় ২০০০ কোটি টাকা মোহনগঞ্জে কর্মস্থলেই অসুস্থ- রক্তবমির পর প্রাণ গেল স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কুড়িগ্রামে বন্যাদুর্গতদের জন্য বরাদ্দকৃত ৩০ মেট্রিক টন চাল,একমুঠোও জোটেনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ভাগ্যে জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে: মাহমুদা মিতু

কুড়িগ্রামে রোদ-বৃষ্টিতে দিন কাটাছে “দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ” আর অক্ষম দম্পতির জীবন

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৯ মে, ২০২৩
  • ৫০৭ পঠিত

ছবুরা বেগম” দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ” দেখতে পান না তিনি। একসময় ঠিকই দেখতেন কিন্তু সন্তান জন্মের পর আস্তে আস্তে নিভে যায় চোখের আলো। এখন তিনি অন্ধ। বিয়ে হয়েছিলো দিনমজুর শাহজামাল ইসলামের সাথে। সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে। শাহজামাল এক সময় কাজের সন্ধানে ছুটে চলতেন এক শহর থেকে আরেক শহর। কিন্তু হঠাৎ অঙ্গ বিকল (প্যারালাইসিস) হয়ে যায়।

অন্ধ আর অক্ষম দম্পতির জীবন এখন বিবর্ণ। বড় ছেলে লিটন বিয়ে করে সংসার পেতেছে আলাদাভাবে, অনটনের কারণে নেয় না মা-বাবার খবর। মা বাবা ছোট মেয়ে রুমানাকে ৭ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করালেও পেটে ভাতের সংকটে পাঠ চুকেছে তার। আরেক ছেলে এরশাদুল এখনো ছোট।

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়নের হাজীপাড়া মুদাফৎকালীকাপুর এলাকায় অন্যের জায়গায় ভাঙা ঘরে দিনাতিপাত করেন অন্ধজন ছবুরা বেগম আর তার শক্তি সামর্থহীন স্বামী শাহজামাল।

রাতে ভাঙা ঘরের চাল দিয়ে দেখা যায় আকাশ ও চাঁদ। খরায় দহন হয় দেহে। আর বর্ষায় ভিজে একাকার হয়।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছবুরা বেগম বলেন, কর্ম-হাজ করার হারিনে। বেডিডেক টেহার জন্যি পড়ানেহা করবার পারি নেই। পড়ানেহা বাদ দিয়ে দিছি। দুইডে ব্যাডা আছিল। বড়ডা আলদা হয়ে গেছে গা। বউয়ের কতা হনে আলদা হয়ে গেছে গা। ঘরে খাম নাই। আইতে তুফান আইছিলে ডরাই। ঘর কাপে, দেহেন না ভাঙাচোরা ঘর। আরেকটা সমস্যা মাইনসের জায়গায় থাকি,গাছ তলায় থাকি। স্বামী তো হাটপের পারে না।

প্রতিবেশী রোকসানা বেগম বলেন, আমরা গ্রামবাসিরাই ওদের কষ্ট দেখে বিভিন্ন সময় সহযোগীতা করি। তা না হলে আরও কষ্টে থাকতে হতো তাদের। একটি হুইল চেয়ার আর একটি থাকার মতো ঘর দিলে অনেকটা কষ্ট কমে যেতো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মাহবুবুর রহমান জানান, উপজেলা চেয়ারম্যানের মাধ্যমে কথা বলে একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করে দিবো। আর এই সময় চর ডিজাইনের ঘর নেই। এখন ঘর দেয়ার সুযোগ নেই। তবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মাধ্যমে খোঁজ খবর নিয়ে একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দিবো।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
শিরোনাম...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023-2025 Daily Netrakona News