বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দিল্লিতে শেখ হাসিনার ভাষণ: ঢাকায় কেন উদ্বেগ? ৫ আগস্টের ‘রাজনৈতিক ভূমিকম্প’ও নেপথ্যের সমীকরণ! পরকীয়ার অভিযোগ গ্রামবাসীর হাতে আটক Content Creator রিপন মিয়া শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ নিয়ে যা বলছে ভারত রাজধানীর তিন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল- ছাত্রশিবির দফায় দফায় সংঘর্ষ সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয় ২০০০ কোটি টাকা মোহনগঞ্জে কর্মস্থলেই অসুস্থ- রক্তবমির পর প্রাণ গেল স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কুড়িগ্রামে বন্যাদুর্গতদের জন্য বরাদ্দকৃত ৩০ মেট্রিক টন চাল,একমুঠোও জোটেনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ভাগ্যে জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে: মাহমুদা মিতু দুবাইয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ

নেত্রকোনায় ঝর্ণা হত্যার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন 

ডেইলি নেত্র নিউজ ডেক্স :
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৮৯ পঠিত

বৃহস্পতিবার গৃহবধূ ঝর্ণা হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে নেত্রকোণার সদর উপজেলার বাংলা বাজারে এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে,এতে সর্বস্তরের মানুষসহ নিহতের সন্তান ও স্বামী অংশ নিয়ে ন্যায় বিচারের দাবি তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য যে: পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের আগমারকেন্ডা গ্রামের খোয়াজ খাঁর সাথে তার চাচাতো ভাই আলম খানের নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।গত ২৬ মার্চ খোয়াজ খাঁ পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার মেয়ে তামান্নাকে মারধর করার সময় ফিরাতে গিয়ে স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার মারধরের শিকার হন।

পরে ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে ২৭ মার্চ রাতে দুপক্ষে কথা কাটাকাটি হয়,এক পর্যায়ে খোয়াজ খাঁর লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে আলম খানের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার,ছেলে তামিম,ভাই পাপন,ভাইয়ের ছেলে মাহাবুব ও সাকিবকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন রাত ১১টার দিকে ফের আহতদের ওপর হামলা চালিয়ে ঝর্নাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।

প্রথমে তাকে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঝর্ণা আক্তার মারা যান।এ ঘটনায় নিহতের ভাই নেত্রকোণা সদর উপজেলার সিংহের বাংলা গ্রামের রুহুল আমিন বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় একটি মামলা করেন। মৃত্যুর পর ঝর্ণার লাশ বাবার বাড়িতে দাফন করা হয়। এরপর ফিরোজ খাঁকে টাঙ্গাইল থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

মামলার অন্যতম আসামি এএসআই ফিরোজ খাঁ পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিট ময়মনসিংহে কর্মরত ছিলেন। কর্মস্থল থেকে ছুটি ছাড়াই বাড়ি এসে তিনি বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। তিনি বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছেন। মানববন্ধনে বক্তারা মামলার চার্জশিট থেকে অন্যতম আসামি পুলিশ সদস্য ফিরোজ খাকে বাদ দেয়ার চেষ্টা করছে এমন অভিযোগ করে বলেন:পুলিশের আন্তরিকতার অভাব, দ্রুত তদন্তকাজ শেষ না করা সহ নানা কারণে এই মামলায় ন্যায় বিচার না পাওয়ায় আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মামলায় জামিনপ্রাপ্ত আসামিরা বাদী পক্ষকে অব্যাহত হুমকি দিলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশনার পরও ঝর্ণা আক্তারের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়নি। এমনকি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কোন খবরও নেওয়া হয়নি।

নিহতের পরিবারের দাবি:বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার চার্জশিট দিতে হবে। তাহলেই কেবল সকল অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব। ন্যায় বিচারের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ কাজ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত এলাকাবাসীর মধ্যে বক্তব্য দেন- নিহতের স্বামী আলম খাঁ,নিহতের ভাই নুরুল আমিন,বাংলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজা আক্তার, উজ্জ্বল নাগ,হাজী মো.আব্দুল জলিল,রানা সরকারসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
শিরোনাম...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023-2025 Daily Netrakona News