সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেত্রকোনায় জমি-সংক্রান্ত জেরে বসতঘরে যুবককে গলা কেটে হত্যা যথাযোগ্য মর্যাদায় নেত্রকোনায় ঐতিহাসিক নাজিরপুর যুদ্ধদিবস পালিত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, সাহাবুদ্দিন বললেন ‘সম্পূর্ণ কাল্পনিক নেত্রকোনায় অটোরিকশা-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত -১ বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের ১০১ তম জন্মদিন আজ শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব দিয়ে চাকরিচ্যুত হলেন ৩ জন চট্টগ্রামে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ধর্ষণ, এনসিপির শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার কলমাকান্দায় তিন ইউনিয়ন প্লাবিত, বিপৎসীমার ওপরে উব্দাখালী নদীর পানি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক, হাইকোর্টে রুল

নেত্রকোনায় চলছে হাতি দিয়ে রাস্তা ঘাটে অবাধে চাঁদাবাজি- আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা 

ডেইলি নেত্র নিউজ ডেক্স :
  • আপডেট : শুক্রবার, ৯ জুন, ২০২৩
  • ৩৪০ পঠিত

নেত্রকোনার রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বিশালদেহী হাতি। হাতি যে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যায় ভয়ে সেখান দিয়ে যেতে পারছে না শিক্ষার্থী, পথচারীসহ কোনো যানবাহন। পিঠে ভাব নিয়ে বসে আছেন মাহুত। আর এই মাহুতের নির্দেশেই এক দোকান থেকে আরেক দোকানে যাচ্ছে হাতিটি। তারপর শুঁড় এগিয়ে দিচ্ছে দোকানির কাছে। শুঁড়ের মাথায় টাকা গুঁজে না দেওয়া পর্যন্ত শুঁড় সরাচ্ছে না হাতিটি। টাকা না দিলে উল্টো ভয় দেখাচ্ছে মাহুত। এভাবেই অভিনব কৌশলে হাতি দিয়ে চলছে নেত্রকোনায় অবাধে চাঁদাবাজি। এতে করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নেত্রকোনা শহরে শুক্রবার (৯ জুন) সকালে রাজুর বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে হাতি দিয়ে টাকা তুলছেন মাহুত। সর্বনিম্ন ১০ টাকা থেকে শুরু করে দোকানের ধরণ অনুযায়ী ১০০-১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে চাঁদা। শুধু দোকানেই সীমাবদ্ধ নয়, সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের পথ রোধ করেও টাকা তুলতে দেখা যায় এই মাহুতকে।

বাংলা বাজারের একটি মুদি দোকানে হঠাৎ বিশাল দেহের হাতিটি মাহুতের ইশারা ইঙ্গিতে শুঁড় এগিয়ে দিল দোকানের মধ্যে। সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার ৩০ টাকা হাতিটির শুঁড়ে গুঁজে দিলেন।

টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ওই দোকানদার বলেন, টাকা না দিলে হাতিটি যাবে না। তাছাড়া অনেক সময় ভাঙচুরও করে। এজন্য ঝামেলা হওয়ার আগেই টাকা দিয়ে বিদায় করলাম।

ঠাকুরাকোনা বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ীরা জানান, মাঝে-মধ্যেই বিভিন্ন এলাকা থেকে হাতি নিয়ে এসে চাঁদা আদায় করেন তারা। প্রতিটি দোকান থেকে হাতি দিয়ে টাকা তোলা হয়। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত দোকান থেকে হাতি সরিয়ে নেওয়া হয় না। অনেক সময় সাধারণ মানুষ, শিশু বাচ্চাসহ মহিলা ক্রেতারা হাতি দেখে ভয় পান। এতে ব্যবসায়ের ক্ষতি হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

নেত্রকোনা শহরের স্থানীয় বাসিন্দা মাহবুবুর রহমান বলেন, দোকান থেকে চাঁদা উঠানো শেষ হলে হাতিগুলো রাস্তায় নামে। শুধু দোকানই না এরা চলন্ত গাড়ি থামিয়ে দিয়ে চাঁদা আদায় করেন। এতে করে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

হাতির মাহুত রাকিবুল ইসলাম বলেন, হাতির ভরণপোষণের জন্য সবাই খুশি হয়ে কিছু টাকা দেয়। কেউ খুশি হয়ে টাকা দিলে তা আবার চাঁদাবাজি হয় কীভাবে? তবে আমরা কারো উপর কোনো ধরনের জোর করি না; যার ইচ্ছে দেয় মন না চাইলে দেয় না।

এ বিষয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি লুৎফুল হক বলেন,হাতি দিয়ে টাকা তোলার বিষয়ে এখনো কেউ আমাদের কিছু জানায়নি। অভিযোগ পেলে এই সব চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
শিরোনাম...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023-2025 Daily Netrakona News